ভারতীয় ভিসা আবেদনের প্রস্তুতি, এক জায়গায়
বাংলাদেশ থেকে ভারতীয় ভিসার আবেদন করতে গিয়ে বেশিরভাগ ভোগান্তি হয় প্রস্তুতির অভাবে — পোর্টালে বসার পর নয়, বসার আগেই। এই সাইট সেই প্রস্তুতিটুকু গুছিয়ে দেয়।
নিয়ম বদলায়, তাই প্রতিটি তথ্যের পাশে সূত্র আর তারিখ দেওয়া আছে। অ্যাপয়েন্টমেন্ট পোর্টালের সর্বশেষ FAQ (১৬ আগস্ট ২০২৬ থেকে কার্যকর) অনুযায়ী আপনি নিজেই কেন্দ্র আর ফাঁকা তারিখ বাছেন, আর অনলাইন আবেদনের PDF (ওয়েবফাইল) ৩০ দিনের বেশি পুরনো হলে নেওয়া হয় না। এর আগে ছড়িয়ে থাকা “১ জুলাই থেকে স্লট বাছা যায় না” খবরটি এই FAQ সমর্থন করে না।
কোথায় মানুষ আটকে যায়
১৫ মিনিটের সেশন
“অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুক করুন” চাপার পর ১৫ মিনিটের মধ্যে ওয়েবফাইল আপলোড, কেন্দ্র ও তারিখ বাছা আর পেমেন্ট — সবই শেষ করতে হয়। সময় শেষ হলে আটকে রাখা স্লট ছেড়ে দেওয়া হয়, আবার শুরু করতে হয়। আগে থেকে সব গুছিয়ে না রাখলে বারবার ফেল করতে হয়।
ডকুমেন্টের ভুল
ছবির ভুল মাপ, পাসপোর্টের মেয়াদ বা ফাঁকা পাতা কম থাকা, নামের বানানে অমিল, অসম্পূর্ণ ঠিকানা — বেশিরভাগ আবেদন এই কারণেই ফেরত আসে।
মেয়াদ ফসকে যাওয়া
পাসপোর্টের ৬ মাস মেয়াদ, ৩০ দিনের বেশি পুরনো ওয়েবফাইল নেওয়া হয় না, ডলার এনডোর্সমেন্ট এক মাসের বেশি পুরনো হওয়া চলবে না — কোনটা কখন শেষ হচ্ছে তা খেয়াল না রাখলে শেষ মুহূর্তে ঝামেলা।
কোথা থেকে শুরু করবেন
ভিসার ধরন অনুযায়ী ডকুমেন্ট তালিকা
হাইকমিশনের অফিসিয়াল নথির ১০টি ভিসার ধরন, প্রতিটির কাগজপত্র আলাদা করে সাজানো। টিক দিয়ে গোছানো যায়, আর টিকগুলো আপনার ফোনেই সেভ থাকে।
প্রশ্ন ও উত্তর
ছবির মাপ, পাসপোর্টের মেয়াদ, আর্থিক সচ্ছলতার প্রমাণ — যে প্রশ্নগুলো সবচেয়ে বেশি ওঠে, তার উত্তর সূত্র ও তারিখ সহ।
ভিসার ছবি যাচাই
ছবিটি বেছে নিলেই দেখুন মাপ, ফাইলের ধরন, সাইজ আর ব্যাকগ্রাউন্ড ঠিক আছে কিনা — আপনার ফোনেই, কোথাও আপলোড ছাড়া।
১৫ মিনিটের সেশনের প্রস্তুতি শিট
পাসপোর্টের মেয়াদ মিলিয়ে দেখুন, কাগজপত্র গুছিয়ে নিন, আর টাইমার চালিয়ে অনুশীলন করুন — সবই পোর্টালে ঢোকার আগে। আপনি যা লিখবেন তার কিছুই সংরক্ষণ হয় না।
আবেদন কেন্দ্র
পাঁচটি কেন্দ্র — সেশন শুরুর আগেই ঠিক করে রাখুন কোথায় যাবেন।